কেশবপুরে পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করায় অনুমোদন বাতিল হচ্ছে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

কেশবপুরে পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করায় অনুমোদন বাতিল হচ্ছে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

মে ২৪, ২০১৮ : ৪:৪৭ অপরাহ্ণ || দৈনিক বাস্তবতা

print
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা ১২২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিন্ধান্ত আসছে। এর মধ্যে কেশবপুরে রয়েছে ৩টি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা।

এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলি হল প্রতাপপুর দাখিল মাদ্রাসা, সাতবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা ও ইমাননগর এম বি জি দাখিল মাদ্রাসা। কেশবপুর শিক্ষা অফিস ও বোর্ড থেকে কারণ দর্শানোর চিঠিও পেয়েছে। শিক্ষক,কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। ৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- কর্মচারী রয়েছে ৫৪ জন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে ৮২৬। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল হলে কি হবে ৫৪ জন শিক্ষকÑকর্মচারীর ? ৮ শতাধিক অভিভাবকরা আছেন চিন্তায়। শিক্ষার্থীরা রয়েছে মহাবিপাকে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ইমাননগর এম বি জি দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১০ জন অংশ নিয়ে সকলেই ফেল করে। প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ২৭০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে ১৭ জন। প্রতাপপুর দাখিল মাদরাসা থেকে ১২ জন অংশ নিয়ে সকলেই ফেল করেছে।

প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ২৭৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক- কর্মচারী রয়েছে ১৯ জন। তবে কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে রয়েছে ক্লাস না নেওয়াই অভিযোগ। উপজেলার সাতবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ১১জন ছাত্র-ছাত্রী দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন সকলেই ফেল করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ২৮১ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক- কর্মচারী রয়েছে ১৯ জন। সরেজমিন মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসায় উপস্থিত হলে দেখা যায় রমজানের ছুটি থাকলেও ক্লাস চলচ্ছে। অভিভাবক আব্দুস সবুর বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস নেয়। তারপর কেন এমন হলো সেটা ভাবার বিষয়। সাতবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুর রাজ্জাক বলেন এখানে ভালো ছাত্র কম ভর্তি হয় তারপর সৃজনশীল পদ্ধতি কারণে কিছুটা সমস্যা হয়। তারপর ২০১৭ সালে শতভাগ পাস করেছে প্রতিষ্ঠান থেকে কিন্তু এবার কি হলো সেটা ভাবার বিষয়।

কেশবপুর শিক্ষা অফিস থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছি এবং জবাব দিয়েছি। আমরা আশাবাদী আগামীতে ভালো ফলাফল করবে। প্রতাপপুর দাখিল মাদরাসা সুপার মুজিবর রহমান বলেন আমাদের প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষার্থী গণিতে ফেল করেছে। আমরাও কষ্ট পেয়েছি। আমরা শিক্ষা অফিসের সাথে যোগযোগ রাখচ্ছি অফিসিয়াল ভাবে জবাব দেবো। ইমাননগর মাদ্রাসা সুপার মতিয়ার রহমান বলেন আমাদের ফলাফলে আমরা আশাহত। ২৩ বছরের মধ্যে এইবারই প্রথম যে সকল শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

২০১৭ সালে পিএসসি,জিএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ পাস করেছিল বলে জানান। আমরা ছুটির দিনেও ৯টা হতে ১টা পর্যন্ত মাদরাসা ক্লাস চলবে। বোর্ডের কারণদর্শানোর চিঠি পেয়েছি। উত্তর দেওয়ার প্রক্রিয়া চলচ্ছে। কেশবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দাখিল পরীক্ষার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠান তিনটিতে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on Twitter0Share on LinkedIn0Share on Reddit0



Daily Bastobota | bangla news
সম্পাদক : মোঃ জান্নাতুল বাকি
প্রকাশক : আব্দুল মান্নান তালুকদার
মোক্তার বার ভবন (২য় তলা), নিউ মার্কেট রোড, বাগেরহাট।
টেলিফোন : ০৪৬৮-৬৪৭১১
ই-মেইল: dbastobota@gmail.com